পোস্টগুলি

দোলের বঙ্গ-বিশ্ব দর্শন

 দোল কি কেবল রঙের খেলা, মিলন মেলা নয়! আবাল - বৃদ্ধ - বনিতা এদিন মেতে ওঠে লাল,নীল,হলুদ,সবুজের আনন্দে।আবীর ও তরল রঙ একে অপরের হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। মন্দকে পিছনে রেখে শুভ আর কল্যাণকে সাথী করে এগিয়ে যেতে চায় বাঙালি ও অন্যান্য হিন্দুরা।কলকাতায় অবশ্য খ্রিস্টান ও মুসলিম ভাই,বোনদেরকেও সামিল হতে দেখা যায় এই উৎসবের উদযাপনে।রাধাকৃষ্ণের রূপকে নিজেদের জীবনের আনন্দকে আলিঙ্গন করে সকল বয়সের মানুষ।কোনও এক সময়ে ধর্মের মোড়কে মানুষের বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করে পরবর্তীতে ক্রমে বিশ্বমিলন যজ্ঞের দর্শনে ঠাঁই মিলেছে এই দেহ,মন রাঙানো উৎসবের। https://youtu.be/_n5I-qa8SiE?si=2g7xDAt7h6QgXxeV https://youtu.be/21kU5quVODE?si=tkn1u_DBSF1-n1cC ভক্ত প্রহ্লাদকে পূর্ব দিবসে তার পিসি হোলিকার কোলে বসে মৃত্যুতে ঢলে পড়ার হাত হতে রক্ষা করেন ভগবান।পরিবর্তে আগের দিন সাঁঝ বেলায় আনন্দের সঙ্গে খলনায়িকা হোলিকাকেই আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে বঙ্গে চলে ন্যাড়াপোড়া উৎসবের সমারোহ।আসলে নতুন বছর শুরু হওয়ার পূর্বেই পুরাতন কালিমাকে বিদায় দেবার রীতি এটি।নতুন উদ্যমে রঙের খেলায় মাতোয়ারা হয়ে সকলে মিলে একসাথে সুন্দর ও সত্যে ঘেরা আগ...

জাগো সবলা !

 বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পারিবারিক চালিকা শক্তি বিশেষতঃ মেয়েরাই।তবু প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহুরে আদব কায়দায় বেড়ে ওঠা অথবা আদিবাসী রমণীর ধমনী পর্যন্ত সমাজের যাবতীয় কলঙ্কিত বিষাক্ত মিথ্যে রসপ্রবাহের অসার প্রয়াস সমাজকে নিম্নাভিমুখী করেছে বারেবার।কিন্তু, কেন এই দ্বিচারিতা! সমাজের উন্নয়ন কামনা করি আমরা।অথচ, ছলে বলে কৌশলে নারীর পরিশ্রমের ছদ্মমূল্যকে গোপনে ঢেকে এগিয়ে চলবার উদ্যোগ চলেছে দিকে দিকে।উপরে উঠে নানান অভিমুখে গতিশীল হতে চায় সমাজ।আর তার সদস্যরা ভুলে বসে থাকেন_ এই সমাজ আসলে একটি পক্ষীর রূপক বৈ নয়। তার একটি ডানা পুরুষ আর অন্যটি নারী! শুধু পুরুষের উন্নয়ন ঘটলে আর  নারীকে বেধে রেখে দিলে সমাজ নামের পাখিটি তার স্বভাবজাত উড্ডয়নে সক্ষম তো হয় না; উপরন্তু পুরুষ নামক ডানাটিকে নিয়ে উড়তে গিয়ে নাস্তানাবুদ হয়,পাখিটির ওই ডানাটি সমাজ পক্ষীর দেহ হতে ছিন্ন হয়ে পাখিটি ( সমাজ ) খোঁড়া হয়ে পড়ে।এই পঙ্গু সমাজের ধ্বংস অনিবার্য!নারীর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করবার এই ঔদ্ধত্য শুধু আজ নয়, যুগে যুগে সম্পাদিত ন্যক্কারজনক আচরণ। আজ হয়তো বিশ্বজুড়ে রমরমিয়ে উদযাপিত 114 তম আন্তর্জাতিক নারী...

১৩৮- বর্ষে বাঞ্ছাকল্পদ্রুম

  https://youtu.be/1_LnVUtzfrY?si=7mYSTwIV3_P-8h0V ওম স্থাপকায়চ ধর্মস্য ধর্মস্বরূপিনে।                                      অবতার বরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে  নমহ।। ঠাকুরের ধ্যান,জ্ঞান, কর্ম ও ভক্তিভাবের পরিপূর্ণতায় বিমুগ্ধ মানসপুত্র স্বামী বিবেকানন্দ প্রণীত গুরুপ্রণামের মন্ত্রে বন্দনা দ্বারা চেতনার আলোয় দর্শীত শ্রীরামকৃষ্ণের বাঞ্ছা কল্পদ্রুম হয়ে ওঠার ১৩৮ বর্ষ (২০২৩) এটি। উৎসব মুখর বঙ্গ ক'দিন  আগেই মাতোয়ারা হয়েছে বড দিনের আনন্দে।ধন্য হয়েছে সাহেবী কেকের পরশে।এই খ্রিস্টান আমেজ অবশ্য আড়াল করেনি বৌদ্ধ, জৈন,শিখ, মুসলিম অথবা হিন্দুর বৈষ্ণব কিম্বা শাক্ত মতাবলম্বী ভক্তের ধর্মীয় মূল্যকে।সত্যি বলতে,কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা যে কোনও ধর্ম অবলম্বিত উৎসবেই যথাসাধ্য মেতে ওঠেন অন্তর হতে।কলকাতার মনন ও মানসিক সাম্যের জোয়ার হয়তো অচিরেই প্লাবিত ও একাকার করতে চলেছে বিশ্বজুড়ে বহুবিধ ধর্মবিশ্বাসকে; যার ভিত্তিভূমি হয়তো বা রচিত হয়ে গিয়েছে বহু পূর্বে শ্রীরামকৃষ্ণের হাত ধরেই...

আ'মরি মায়ের ভাষা! সুপ্রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়

ছবি
 https://www.youtube.com/watch?v=Kuxll9iJL3s অ  ' কোন ভাষা মরমে পশি আকুল করি' তোলে প্রাণ ' চরণে 'ছন্দের জাদুকর ' নিঃসন্দেহে আমাদের মাতৃভাষার কথাই বলতে চেয়েছেন! নিজস্ব পরিচিতি,যোগাযোগ,সামাজিক ঐক্য,বিবিধ সরকারি নথিপত্র রক্ষা,শিক্ষা ও বিকাশের জন্য ভাষার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।আন্দামানের সেন্টিনেলিস রা এখনও সাংকেতিক ভাষায় তাদের কথাবার্তা সারেন। মূক,বধির, অতিশিশু থেকে শুরু করে মৃত্যুপথযাত্রী শয্যাশায়ী বৃদ্ধ, বৃদ্ধা অথবা আঘাতপ্রাপ্ত যে কোনও বয়সের ব্যক্তি হোক কিম্বা ধ্যান-মগ্ন সাধু __ প্রত্যেকেই তার মনের অনুভূতিকে ব্যক্ত ও বিনিময় করবার তাগিদে ভাষার আশ্রয় নেন।এমনকি নিদ্রামগ্ন ব্যক্তির স্বপ্নেও রয়েছে ভাষার আবেদন! যে কোনও অনুভূতিই হোক না কেন তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে একত্রিত করতে পারা চাই; আর সেটির অভ্যেস শুরু থেকেই হওয়া উচিত।পূর্ণাঙ্গতা প্রাপ্তির পর নতুন কিছু আরোপিত হলে, তা ততখানি হৃদয়গ্রাহ্য কিম্বা মস্তিষ্কে ধারণযোগ্য হয় না, মনস্তত্ত্ব বলে। এতদসত্ত্বেও শাসকগোষ্ঠীর অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের ফলে তদানীন্তন পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রাণের ভাষা বাংলা পেল না রাষ...

দ্বীপান্তরের অন্তঃপুরে

ছবি
 প্রকৃতি মায়ের সান্নিধ্য আকাঙ্ক্ষা কে না করে! ' ঘর হতে শুধু  দুই পা ফেলিয়া ' দেখা শিশিরবিন্দু সুলভ, তা মানি।তবু অজানাকে জানবার আগ্রহ আর ইতিহাসের স্মৃতি - বিজড়িত দুর্গম স্থানগুলির রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য্য যে হাতছানি দেয় ভ্রমণ পিপাসুদের।মনে পড়ে যায় John Keats - এর সেই ছন্দোবদ্ধ উক্তিটি _ " Beauty is truth; truth beauty' _ that is all./Ye know on earth, and all ye need to know",... সেই রোমাঞ্চে শিহরিত হতে পাড়ি জমিয়েছিলাম দ্বীপান্তরের অন্তঃপুরে _ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। ছোটবেলায় মানচিত্রে দেখে ভাবতাম মহাসাগরে ভাসমান ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভূ - খণ্ড _ সেখানে কাক-পক্ষীও নেই। এরপর জানলাম, কঠিনতম অপরাধের শাস্তি _ আন্দামানে চালান।এই অবুঝ জ্ঞানভান্ডারে ছুরি - কাঁচির আঘাত পড়ল ১৯৮৬-৮৭ সালে যখন রামমোহন কলেজ থেকে হর্ষবর্ধন জাহাজে চড়ে আন্দামানে গিয়ে সেখান থেকে ' ওঙ্গী ' ধরে এনে তাদের বংশবৃদ্ধির পরীক্ষা - নিরীক্ষা ও গবেষণার বিষয়ে কথা উঠল।বাড়িতে বাবা - মায়ের মাথায় হাত, ' সে কী! ওরা তো এখনও বর্বর, সভ্য জগতের মানুষদের দেখলেই বিষ...

ভ্যালেন্টাইনের বঙ্গদর্শন

Insert https://youtu.be/EymeOTG9bIo?si=ns9NRRTDYhttps://youtu.be/EymeOTG9bIo?si=ns9NRRTDYiCLehttps://youtu.be/EymeOTG9bIo?si=ns9NRRTDYiCLeSlPSlP https://youtu.be/9Ild-o8-TKA?si=I3mk7IZYCPqevt7G https://youtu.be/FGIZeqtDoHo?si=zIyvdBs5r3MoI4R2   🙏

পাঁচালী, বিদ্যাদেবীর

  https://youtu.be/FxksEizfW4s?si=7F74r4lQj4jKd4gh 🙏🙏🙏